একদিকে টানা বর্ষণ, অন্যদিকে ডিভিসি দফায় দফায় জলছাড়ায় জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হুগলি, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া জেলার একাধিক এলাকা। আর এই পরিস্থিতিতে ডিভিসির ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “খুব দুঃখের সঙ্গে বলছি. একদিকে বৃষ্টি হয়েছে, অন্যদিকে ১৮ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২৭ হাজার লক্ষ কিউবিক মিটার জল ছেড়েছে ডিভিসি। বারবার বলার পরও ওরা সংস্কার করবে না, উল্টে নিজেদের বাঁচাতে জল ছেড়ে দিচ্ছে, আর বাংলা ডুবছে!”
এদিন নবান্ন থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, ডিজিপি রাজীব কুমার এবং সরকারি আধিকারিকরা।
মমতা বলেন, ‘‘ওরা জল ছেড়ে দিয়েই খালাস। পুরো ডুবিয়ে দিয়েছে। বার বার বলা সত্ত্বেও কথা কানে নিচ্ছে না। আমাদের প্রতিনিধিদল গিয়ে দিল্লিতে বলেছে, আমি নিজে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি, ১৪ বছর ধরে লড়াই করছি কিন্তু ফল পাওয়া যাচ্ছে না।’’
তিনি এও বলেন, “জল ছেড়ে দিয়ে মানুষকে ভাসিয়ে দেয়, কিন্তু একটা কাপড় কেনার টাকাও দেয় না। সবটা আমাদেরকেই করতে হয়।”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি মুখ্যসচিবকে বলব, প্লাবিত এলাকাগুলির উপর নজরদারি রাখতে। প্রতি জেলায় ৩ জন করে প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং সেক্রেটারিদের দিয়ে একটি টিম তৈরি করে দিন। পুলিশকেও বলব, তাঁরা সব কিছু সামলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।”
ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে বন্যার আশঙ্কা রাজ্যের
