১৩৯২টি হেরিটেজের মধ্যে কলকাতায় ৭১৭টি গ্রেড-১ হেরিটেজ বিল্ডিং রয়েছে। ৪০০-এর বেশি হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে ইতিমধ্যেই ব্লু প্লাক লাগানোর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে শুক্রবার কলকাতা পুরসভার মাসিক অধিবেশনে কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে’র প্রশ্নের উত্তরে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য স্বপন সমাদ্দার। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ৩০৫টি গ্রেড এখনও বকেয়া আছে।অনেক জায়গায় হেরিটেজ বিল্ডিংয়ের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি হেরিটেজ ভবন সম্পর্কে তথ্য কলকাতা পুরসভার ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন হেরিটেজ বিল্ডিংয়ের বাইরে কিউআর কোড বসানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। কিউআর কোড স্ক্যান করলেই হেরিটেজ ভবন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য জানা যাবে।
এছাড়াও ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে সুলভ শৌচালয় না থাকা প্রসঙ্গে স্বপন সমাদ্দার বলেন, এখানে সুলভ শৌচালয় করতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। জায়গা পাওয়া গেলে এখানে সুলভ শৌচালয় গড়ে তোলা হবে।সুলভ শৌচালয় গড়ে তোলা নিয়ে বাইপাস-গড়িয়া পর্যন্ত সমীক্ষা করা হয়েছে। ৯টি শৌচালয় গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। অর্থ বরাদ্দ হলেই শৌচালয় গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়ে যাবে। ৯টি সুলভ শৌচালয়ের ভিতরে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। এদিন কাউন্সিলর ডা. মীনাক্ষি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্নের উত্তরে নিকাশি বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য তারক সিং বলেন, শহরের ৩৪টি জায়গায় জল জমার সমস্যা রয়েছে।সেখানকার গালিপিটগুলি পরিষ্কার করছি। বর্ষা চলে গেলে ১৪৪টি ওয়ার্ডের গালিপিটগুলি পরিষ্কার করা হবে। এদিন কাউন্সিলর শচীন কুমার সিং-এর প্রশ্নের উত্তরে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ভেন্ডিং আইন কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে তৈরি হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্ট সেই আইনে সিলমোহর দিয়েছে। যদি হকাররা পূর্ব রেলের অন্তর্গত এলাকায় ব্যবসা করে সেখানে পুরসভা কিছু করতে পারবে না। যদি পুর এলাকায় হকাররা ব্যবসা করে সেখানে অবশ্যই পুরসভার হস্তক্ষেপের অধিকার রয়েছে।কাউন্সিলর আমার কাছে এলে পূর্ব রেলের ডিআরএম-কে এই হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দিতে পারি।
ডা. মীনাক্ষি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্নের উত্তরে আলোক বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য সন্দীপরঞ্জন বক্সী বলেন, সৌরবিদ্যুত স্থাপন খুবই ব্যয়সাপেক্ষ।কলকাতা শহরের সরকারি স্কুলগুলিতে সোলার সিস্টেম স্থাপন পুরসভার পক্ষে সম্ভব নয়। পুরসভার স্কুলগুলিতে সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাইরাইজ বিল্ডিংগুলিতে সোলার সিস্টেম স্থাপন করার বিষয়টি বিবেচনার মধ্যে পড়ে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, ৭, বড়তলা স্ট্রিটে বিপজ্জনক অংশ ভেঙ্গে দিয়েছে বিল্ডিং বিভাগ। স্থানীয় প্রতিবাদের জন্য আরেকটি অংশ ভাঙতে পারিনি। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বাড়ির বাকি অংশ ভেঙ্গে ফেলতে বলেছি। বাড়ি ভেঙ্গে পড়ে মৃত্যু কোনওভাবেই কাম্য নয়।
