ক্লাবগুলিকে গত বছর ৮৫ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল ক্লাব প্রতি সেই অনুদানের পরিমাণ। আরও ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদানের কথা ঘোষণা করলেন তিনি। বৃহস্পতিবার দুর্গা পুজো নিয়ে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠকে উপস্থিত হয়ে পুজো সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন তিনি। সব শেষে ঘোষণা করলেন অনুদান। এদিন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা, কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব’ সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ অক্টোবর দুর্গাপুজো কার্নিভাল অনুষ্ঠান করা হবে। এছাড়াও বিদ্যুতের বিলে ৮০ শতাংশ ছাড় এবং ফায়ার লাইসেন্স-সহ অন্যান্য সরকারি ফি মকুব করা হচ্ছে বলে জানান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেকে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি পুজো করতে দেয় না। ঘরে ঘরে পুজো হয়। এমন পুজো নেই যা বাংলায় হয় না। কেউ কেউ তো কোর্টে চলে যায়। বলে, কেন পুজোর জন্য সাহায্য করা হবে! আরে এটা তো একটা উৎসব। পুজোর জন্য কত মানুষ রোজগার করে। পাড়ার ছেলেমেয়েরা ঘরের কাজ ছেড়ে পুজো সফল করার কাজে মন দেন।”
এ দিনের বৈঠকে কুইক রেসপন্স টিম, অ্যাম্বুল্যান্স, ড্রোনে নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিড় এড়াতে পৃথক এন্ট্রি ও এক্সিট গেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে কলকাতার মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে মুখ্যসচিবকে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এমন কোনও থিম করবেন না, যাতে পদপিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। ভিড় টানতে গিয়ে যেন মানুষের জীবন না যায়। ভিড়ের কম্পিটিশন করবেন না। স্ট্যাম্পেড না হয়। ববি, অরুপ আর সুজিতের পুজো দেখাতে হবে কেন! বাকিদেরটাও দেখান।” মোট ৪৫,০০০ ক্লাবের পুজো হয় বলে জানিয়েছেন মমতা।
পুজোয় ক্লাবগুলির অনুদান বাড়ল পঁচিশ হাজার টাকা :মুখ্যমন্ত্রী
