শনিবার ভোটচুরির অভিযোগে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তাঁকে দিল্লি পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। আটক করা হয়েছে সাকেত গোখেল, ডেরেক ও ব্রায়েন-সহ একাধিক শীর্ষ তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, বেআইনি জমায়েতের অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা হয়।
এদিন প্রিজন ভ্যান থেকে মমতা বলেন, “আমরা যন্তর মন্তরে যেতে চেয়েছিলাম ৷ কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি ৷ তাই দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ে বাড়ির সামনে শান্তিপূর্ণভাবে, ধর্নায় বসেছিলাম ৷ আমরা ‘সেভ ইন্ডিয়া , সেভ ডেমোক্রেসি’ লেখা পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলাম ৷ কিন্তু দিল্লি পুলিশ এসে আমাদের আটক করল… জোর করে পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়েছে আমাদের ৷ সারা দিল্লি বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে ৪০ মিনিট ধরে ঘোরানো হচ্ছে আমাদের ৷”
গাড়িতে যেতেই যেতে নিজের সমাজমাধ্যমে ফেসবুক লাইভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে ফের একবার কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। শুধু তাই নয়, সবাইকে নিয়ে গান গাইতেও দেখা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। কখনও গাইলেন ‘জাগো দুর্গা’, কখনও আবার ‘আঁখো মে ভর লো পানি’।
তাঁর সঙ্গেই ছিলেন দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, শামিরুল ইসলাম, সাকেত গোখেল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেই পৌঁছে যায় দিল্লির পুলিশের আধিকারিকরা। ধরনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। কিন্তু তাতে রাজি হননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই তাঁকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। একইসঙ্গে আটক করা হয় দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, শামিরুল ইসলাম, সাকেত গোখেলকেও।
মমতা ফের দামাল হচ্ছেন
